এবছর MDH গ্রুপের মালিক ধর্মপাল গুলাটিকে বাণিজ্য ও শিল্পের জন্য পদ্মভূষণ পদক প্রদান করা হয়।
ধর্মপাল গুলাটি FMCG কোম্পানিগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ উপার্জনকারী CEO এবং সম্ভবত সারা বিশ্বের সব থেকে বয়স্ক বিজ্ঞাপন তারকা। এফএমসিজি সেক্টরের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী সিইও হিসেবে ২০১৫ সালে ২৫ কোটি টাকার বেশি বেতন পেয়েছেন।
মনে পরে সেই টিভি বিজ্ঞাপনটি যেখানে "দাদাজী" নববধূ দম্পতিকে আশীর্বাদ করছেন, ছোট্ট বাচ্চাদের চুম্বন করে "আসলি মাসালা সাচ সাচ" মিউসিকের সাথে পা নাচাচ্ছেন? ঠিকই ধরেছেন, ইনিই হলেন ধর্মপাল গুলাটি যিনি ২০০০ কোটি টাকার MDH গ্রুপের মালিক।
১৯২৩ সালের ২৭ শে মার্চ পাকিস্তানের সিয়াওকোটে জন্মগ্রহণ করেন। পার্টিশনের সময় গুলটি ও তার পরিবার ভারতে চলে আসেন। তখন সেই পরিবারের হাতে ছিল মাত্র ১৫০০ টাকা। প্রাথম দিকে তিনি টাঙ্গাইওয়ালা হিসাবে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তার পরিবার করল বাগের আজমল খান রোডে একটি মসলার দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করে। সেই ব্যবসা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে ভারতে তাদের ১৮ টি কারখানা রয়েছে। কোম্পানিটি ৬৩ টি ধরনের বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে এবং উত্তর ভারতের ৮০% বাজার তাদের দখলে। এখন গুলাটির বয়স ৯৬ এর কাছাকাছি। তবুও তিনি প্রতিদিন একটি করে কারখানা পরিদর্শন করেন। গুলাটির ৬ ছেলেমেয়ে তার ব্যবসায় সাহায্য করে।
ধর্মপাল গুলাটি FMCG কোম্পানিগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ উপার্জনকারী CEO এবং সম্ভবত সারা বিশ্বের সব থেকে বয়স্ক বিজ্ঞাপন তারকা। এফএমসিজি সেক্টরের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী সিইও হিসেবে ২০১৫ সালে ২৫ কোটি টাকার বেশি বেতন পেয়েছেন।
মনে পরে সেই টিভি বিজ্ঞাপনটি যেখানে "দাদাজী" নববধূ দম্পতিকে আশীর্বাদ করছেন, ছোট্ট বাচ্চাদের চুম্বন করে "আসলি মাসালা সাচ সাচ" মিউসিকের সাথে পা নাচাচ্ছেন? ঠিকই ধরেছেন, ইনিই হলেন ধর্মপাল গুলাটি যিনি ২০০০ কোটি টাকার MDH গ্রুপের মালিক।
১৯২৩ সালের ২৭ শে মার্চ পাকিস্তানের সিয়াওকোটে জন্মগ্রহণ করেন। পার্টিশনের সময় গুলটি ও তার পরিবার ভারতে চলে আসেন। তখন সেই পরিবারের হাতে ছিল মাত্র ১৫০০ টাকা। প্রাথম দিকে তিনি টাঙ্গাইওয়ালা হিসাবে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তার পরিবার করল বাগের আজমল খান রোডে একটি মসলার দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করে। সেই ব্যবসা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে ভারতে তাদের ১৮ টি কারখানা রয়েছে। কোম্পানিটি ৬৩ টি ধরনের বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে এবং উত্তর ভারতের ৮০% বাজার তাদের দখলে। এখন গুলাটির বয়স ৯৬ এর কাছাকাছি। তবুও তিনি প্রতিদিন একটি করে কারখানা পরিদর্শন করেন। গুলাটির ৬ ছেলেমেয়ে তার ব্যবসায় সাহায্য করে।

Comments
Post a Comment