বিনামূল্যে ক্রেডিট কার্ড? সাবধান! অনেক রকমের চার্জ আছে যেগুলো ব্যাংক প্রতিনিধিরা প্রায়ই আপনাকে জানায় না। জেনে নিন এই চার্জগুলো কি কি।
১) গ্রাহকদের আকর্ষণ করার জন্য কোম্পানি বার্ষিক ফি মুকুব করে বিনামূল্যে ক্রেডিট কার্ড সরবরাহ করে। সেটা যে মাত্র এক বছরের জন্য সেটা আপনাকে জানায় না। এই অফারগুলো এক বছরের মধ্যে শেষ হয়। পরের বছর থেকে কার্ডের প্রকার এবং সীমা অনুযায়ী বার্ষিক ফি ৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা চার্জ করা হয়।
২) আপনি যদি নির্ধারিত তারিখে পেমেন্ট করতে ব্যর্থ হন তাহলে বিলের উপর প্রতি মাসে ১.৯৯ % থেকে ৪% হারে সুদ চার্জ করা হবে। মাসিক বিলের এই চার্জগুলোতে আমরা মাথা ঘামাই না। কিন্তু যখন আমরা এটি একটি বার্ষিক হারের (এপিআর) রূপান্তর করি, তখন এটি ২৪% থেকে ৪৮% হয়ে যায়। তখন মাথায় হাত দিয়ে বসি।
৩) আপনি বিল দেরীতে পেমেন্টে করলে ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলো আপনার কাছ থেকে লেট পেমেন্ট ফি চার্জ করে। এটি একটি নির্দিষ্ট টাকা বা আপনার বকেয়ার টাকার উপর একটি নির্দিষ্ট শতাংশ হতে পারে।
৪) ক্রেডিট কার্ড ফি, সুদ এবং অন্যান্য চার্জের উপর অতিরক্ত জিএসটি ১৮% হারে চার্জ করা হয়।
৫) আপনি যদি আউটস্টেশন চেক দিয়ে ক্রেডিট কার্ডের বিল মেটান, তাহলে অতিরিক্ত পরিষেবা ফি চার্জ করা হয়।
৬) বেশিরভাগ ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি ডুপলিকেট বিলের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা চার্জ করে।
৭) বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন হলে সেগুলো নেটওয়ার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার অংশীদার (মাস্টার / ভিসা) প্রদত্ত হারের উপর ভিত্তি করে ভারতীয় টাকায় রূপান্তরিত করা হয়। এই টাকার উপর একটি নির্দিষ্ট শতাংশ ফি হিসাবে কেটে নেয়। এখানে সর্বনিম্ন ফি নির্ধারিত করা আছে।
৮)ক্রেডিট কার্ড থেকে নগদ টাকা তুললেও একটি ফি চার্জ করা হয়। এই ফি তোলা টাকার উপর একটি নির্দিষ্ট শতাংশ হতে পারে।
৯) ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পেট্রল এবং রেলওয়ে টিকিট কেনা হলে অতিরিক্ত ফি চার্জ করা হয়।
সুতরাং ফ্রিতে কার্ড নেবার আগে উপরের বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।
১) গ্রাহকদের আকর্ষণ করার জন্য কোম্পানি বার্ষিক ফি মুকুব করে বিনামূল্যে ক্রেডিট কার্ড সরবরাহ করে। সেটা যে মাত্র এক বছরের জন্য সেটা আপনাকে জানায় না। এই অফারগুলো এক বছরের মধ্যে শেষ হয়। পরের বছর থেকে কার্ডের প্রকার এবং সীমা অনুযায়ী বার্ষিক ফি ৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা চার্জ করা হয়।
২) আপনি যদি নির্ধারিত তারিখে পেমেন্ট করতে ব্যর্থ হন তাহলে বিলের উপর প্রতি মাসে ১.৯৯ % থেকে ৪% হারে সুদ চার্জ করা হবে। মাসিক বিলের এই চার্জগুলোতে আমরা মাথা ঘামাই না। কিন্তু যখন আমরা এটি একটি বার্ষিক হারের (এপিআর) রূপান্তর করি, তখন এটি ২৪% থেকে ৪৮% হয়ে যায়। তখন মাথায় হাত দিয়ে বসি।
৩) আপনি বিল দেরীতে পেমেন্টে করলে ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলো আপনার কাছ থেকে লেট পেমেন্ট ফি চার্জ করে। এটি একটি নির্দিষ্ট টাকা বা আপনার বকেয়ার টাকার উপর একটি নির্দিষ্ট শতাংশ হতে পারে।
৪) ক্রেডিট কার্ড ফি, সুদ এবং অন্যান্য চার্জের উপর অতিরক্ত জিএসটি ১৮% হারে চার্জ করা হয়।
৫) আপনি যদি আউটস্টেশন চেক দিয়ে ক্রেডিট কার্ডের বিল মেটান, তাহলে অতিরিক্ত পরিষেবা ফি চার্জ করা হয়।
৬) বেশিরভাগ ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি ডুপলিকেট বিলের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা চার্জ করে।
৭) বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন হলে সেগুলো নেটওয়ার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার অংশীদার (মাস্টার / ভিসা) প্রদত্ত হারের উপর ভিত্তি করে ভারতীয় টাকায় রূপান্তরিত করা হয়। এই টাকার উপর একটি নির্দিষ্ট শতাংশ ফি হিসাবে কেটে নেয়। এখানে সর্বনিম্ন ফি নির্ধারিত করা আছে।
৮)ক্রেডিট কার্ড থেকে নগদ টাকা তুললেও একটি ফি চার্জ করা হয়। এই ফি তোলা টাকার উপর একটি নির্দিষ্ট শতাংশ হতে পারে।
৯) ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পেট্রল এবং রেলওয়ে টিকিট কেনা হলে অতিরিক্ত ফি চার্জ করা হয়।
সুতরাং ফ্রিতে কার্ড নেবার আগে উপরের বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।
প্রিয় পাঠক–পাঠিকা ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। যে কোনো বিষয়ে জানা- অজানা তথ্য আমাদের সাথে আপনিও শেয়ার করতে পারেন।১০০০ শব্দের মধ্যে গুছিয়ে লিখে ছবি সহ মেল করুন wonderlandcity.net@gmail.com -এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

Comments
Post a Comment