আপনি কি জমি বা বাড়ি বিক্রি করে নগদ ২০ হাজার টাকা বা তার বেশী টাকা  নিয়েছেন? যদি নিয়ে থাকেন তাহলে আপনার জরিমানা হতে পারে। কেন জেনে নিন।


আয়কর আইনে বলা আছে নগদ অর্থ লেনদেনের কোনটা বৈধ আর কোনটা অবৈধ। আমরা নগদ লেনদেন করার সময় এসব মাথায় রাখিনা এবং বেশী চিন্তা না করে প্রতিদিন নগদ অর্থ লেনদেন করি। এ ব্যাপারে সজাগ না থাকলে আপনি বিপদে পড়তে পারেন।

আয়কর আইনে জমি/বাড়ির মত অস্থাবর সম্পত্তির ক্রয়- বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নগদ ২০ হাজার টাকা বা তার বেশি নগদ টাকা লেনদেন করলে জরিমানা হতে পারে। এখানে যে ব্যক্তি নগদ ২০ হাজার টাকা বা তার বেশি নগদ টাকা গ্রহণ করবে তার ক্ষেত্রে জরিমানা প্রযোজ্য। সেজন্য জরিমানা এড়াতে নগদ টাকা গ্রহণ করার সময় আপনাকে সচেতন থাকতে হবে।

এরকম অবৈধ অনেক নগদ লেনদেন আয়কর বিভাগের নজরে এসেছে এবং তারা সম্পত্তি বিক্রেতাদের কাছে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো শুরু করে দিয়েছে।
আয়কর কর্মকর্তারা রাজধানীতে ২১ টি উপ-রেজিস্ট্রার অফিস পরিদর্শন করেন এবং ১লা জুন, ২০১৫ থেকে ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত সমস্ত সম্পত্তি নিবন্ধন স্ক্যান করেছেন যেখানে ২০,০০০ টাকার বেশী নগদ অর্থ লেনদেন হয়েছে।

২০১৫ সালের জুন থেকে ডিসেম্বর ২০১৮ সালের মধ্যে যে সব বিক্রেতা তাদের সম্পত্তি বিক্রয় করে নগদ ৫ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ টাকা নিয়েছে এ রকম ২০০০ বিক্রেতার কাছে আয়কর বিভাগ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে। এক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ অবৈধ নগদ লেনদেনের সমপরিমাণ হবে।

আয়কর বিভাগ সম্পত্তির ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কেই  বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে। ক্রেতাদের কাছ থেকে সম্পত্তির কেনার টাকার উৎস জানতে চেয়েছে। 

নিয়ম অনুসারে, কোনও সম্পত্তির মূল্য যদি ২০,০০০ টাকা বা তার উপরে হয় তবে টাকা ড্রাফট, অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেক বা রিয়েল টাইম গ্রস সেটলমেন্ট (আরটিজিএস) বা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে করা উচিত।

এর পরবর্তী পদক্ষেপে আয়কর বিভাগ যারা ৫ লাখ টাকার কম এবং ২০ হাজার টাকার বেশী নগদ লেনদেন করেছে সেই সব ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বিজ্ঞপ্তি পাঠাবে।

প্রিয় পাঠক–পাঠিকা ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। যে কোনো বিষয়ে জানা- অজানা তথ্য আমাদের সাথে আপনিও শেয়ার করতে পারেন।১০০০ শব্দের মধ্যে গুছিয়ে লিখে ছবি সহ মেইল করুন  wonderlandcity.net@gmail.com ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

Comments