আপনি কি নিয়মিত ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে বকেয়া বিলের পরিমাণও দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে এবং ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা মাথায় চেপে বসছে। এখন আপনি কি করবেন জেনে নিন।
ডিজিটাল ইন্ডিয়ার যুগে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়ে গেছে। পকেটে টাকা না থাকলেও ক্রেডিট কার্ড থাকলে সহজে কেনাকাটা করা যায়। ক্রেডিট কার্ড নগদহীন লেনদেনের জন্য সবচেয়ে ভাল উপায়। তাছাড়া কেনাকাটার সাথে সাথে আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয় না। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে বিভিন্ন প্রকারের সুবিধা যেমন কেনাকেটায়, ভ্রমণ ইত্যাদিতে ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়।
আজকের দিনে ক্রেডিট কার্ড পাওয়াটাও অনেক সহজ হয়ে গেছে। বিভিন্ন ব্যাংক বা আর্থিক সংস্থাগুলির কয়েকটি শর্ত পূরণ করলেই ক্রেডিট কার্ড হাতের মুঠোয় চলে আসবে।
এই শর্তগুলি বিভিন্ন ব্যাংকের ভিন্নরূপ যেমন আপনি কোন শহরে থাকেন, কি জন্য ক্রেডিট কার্ড দরকার, কোথায় চাকরি করেন বা কি ব্যবসা করেন, আয় কত ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে তাদের মৌলিক শর্তগুলি নিম্নরূপ।
১) ক্রেডিট কার্ডের আবেদনকারীর বয়স অন্তত ১৮ বছর বয়সী হতে হবে।
২) চাকরিজীবী বা ব্যবসাদারদের নিয়মিত আয় থাকতে হবে যাতে আবেদনকারী ক্রেডিট কার্ডের বিল সময়মত জমা দিতে পারে।
৩) আবেদনকারীর নামে একটি সেভিংস অ্যাকাউন্ট থাকা দরকার।
৪) আবেদনকারীর ক্রেডিট স্কোর (CIBIL)যেন খারাপ না থাকে।
ক্রেডিট কার্ড হাতে পেলে ক্রয় ক্ষমতা বেড়ে যায়। নিয়মিত ক্রয়ের ফলে আপনার কার্ডের বিলও বেড়ে যায়। বিল বেড়ে যাওয়া মানে ঋণ বেড়ে যাওয়া। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ঋণ বেড়ে গিয়ে সামর্থের বাইরে চলে গেলে আপনার কি করা উচিত।
এমন একটা অবস্থায় আসতে পারে যখন আর আপনি নিয়মিত কার্ডের বিল পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে বকেয়া বিলের পরিমাণও দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে এবং ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা মাথায় চেপে বসছে।
অনেক ক্রেডিট কার্ডহোল্ডার মনে করে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে এখন আমি যা খুশি কিনতে পারি। তাছাড়া ক্রেডিট কার্ড লেনদেনে আকর্ষণীয় পুরস্কার পয়েন্ট, ক্যাশব্যাক, ডিসকাউন্ট ইত্যাদিও ক্রেডিট কার্ডহোল্ডাকে তাদের সামর্থের বাইরে ব্যয় করার জন্য প্ররোচিত করে। একবার যদি তারা তাদের বিল পরিশোধ না করতে পেরে ডিফল্টার হয়ে যায়, তখন অত্যধিক সুদের হার (৪৭% বাৎসরিক হারে) এবং লেট পেমেন্ট চার্জগুলির কারণে তাদের বকেয়া বিলের পরিমাণ দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে।
এখানে আমরা আলোচনা করবো কয়েকটি উপায় যার সাহায্যে আপনি এই ক্রেডিট কার্ডের ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
১) প্রথমেই আপনি আপনার বকেয়া বিলের টাকা EMIতে বদলে নিন।
ব্যাংক বা আর্থিক সংস্থাগুলি তাদের গ্রাহকদের কার্ডের বকেয়া বিলের টাকা EMI তে রূপান্তরিত করার সুযোগ দেয়। অনেক সময় কার্ডের থ্রেশহোল্ড সীমার বাইরে কেনাকাটা করলেও ব্যাংকগুলি EMI তে রূপান্তর করারও অনুমতি দেয়। সাধারণত কার্ডের বকেয়া বিলের উপর সংস্থাগুলি ১৮% থেকে ৪৭% সুদ চার্জ করে। আর বকেয়া বিলের টাকা EMIতে রূপান্তরিত হলে সুদের হার ১২% থেকে ২৪% এর মধ্যে থাকে। এভাবে যদি আপনি কার্ডের বকেয়া বিলের টাকা EMI তে নিয়ে গিয়ে আপনি সুদ বাবদ খরচ অনেক কমিয়ে দিতে পারবেন। এই EMI এর মেয়াদ ৩ থেকে ৪৮ মাস পর্যন্ত হতে পারে। কার্ড হোল্ডাররা তাদের পছন্দ মত মেয়াদ নির্ধারণ করে EMIএর মাধ্যমে বিলের টাকা মেটাতে পারবেন।
২) ক্রেডিট কার্ডের ব্যালেন্স অন্য কার্ডে স্থানান্তকরণ।
যে সংস্থার ক্রেডিট কার্ডের সুদের হার কম আপনি সেই ক্রেডিট কার্ডে বর্তমান কার্ডের ব্যালেন্স স্থানান্তর করে নিন। এই বিকল্পটি খুবই কার্জকরী যখন আপনার বর্তমান কার্ডের সংস্থা কার্ডের বকেয়া বিলের টাকা EMIতে রূপান্তর করতে রাজি না থাকে বা বিলের উপর অত্যধিক হারে সুদ চার্জ করে। এই ব্যালেন্স স্থানান্তর আপনি নতুন একটি সংস্থার কার্ডে করতে পারেন বা আপনার কাছে আর একটি ক্রেডিট কার্ড আছে যেটা আপনি কম ব্যবহার করেন সেখানে স্থানান্তর করে নিতে পারেন। অনেক সময় নতুন সংস্থার কার্ডে ব্যালেন্স স্থানান্তর করলে তারা প্রোমোশনাল অফার দেয় যেখানে নির্দিষ্ট কয়েক মাসের জন্য সুদের হার কম হয় বা ০% হতে পারে। নির্দিষ্ট কয়েক মাস ২ থেকে ৬ মাসও হতে পারে। কিছু সংস্থা এর মেয়াদ ৩ মাস থেকে ৪৮ মাসও দিতে পারে।
এই কম সুদের জন্য আপনার বকেয়া বিলের টাকা বেড়ে যাওয়া নির্দিষ্ট কয়েক মাসের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে। তবে আপনাকে নির্দিষ্ট কয়েক মাসের মধ্যে টাকা জোগার করে বিলের টাকা পরিশোধ করে দিতে হবে নচেৎ আপনি আবার ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝায় জর্জরিত হবেন। প্রচারমূলক অফারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে, স্থানান্তরিত ব্যালান্সের উপর কার্ডের সাধারণ নিয়ম অনুসারে সুদ চার্জ করা হবে।
এই ব্যালেন্স স্থানান্তরিত করার জন্য সংস্থাগুলি ব্যালেন্সের ২% পর্যন্ত প্রসেসিং ফি চার্জ করে।
৩) ব্যাংক বা আর্থিক সংস্থা থেকে কম সুদের হারে নতুন ঋণ নিন।
ব্যক্তিগত ঋণ, সোনা ঋণ ইত্যাদির সুদের হার ক্রেডিট কার্ডগুলির সুদের থেকে অনেক কম। উদাহরণস্বরূপ, ক্রেডিট কার্ড সংস্থাগুলি ১৮% থেকে ৪৮% পর্যন্ত সুদ বাবদ চার্জ ধার্য করে, অন্যদিকে ব্যক্তিগত ঋণ সুদের হার ক্রেডিট স্কোর, মাসিক আয়, নিয়োগকর্তার প্রোফাইল এবং অন্যান্য যোগ্যতা মানদণ্ডের উপর নির্ভর করে ১১% থেকে ২৪% সুদ চার্জ করে। ব্যক্তিগত ঋণের মেয়াদ ৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে, যার ফলে আর্থিক চাপ অনেকখানি কমে যায়। যাদের হোম ঋণ আছে তারা একটি দীর্ঘ মেয়াদী টপ আপ ঋণ নিলেও আর্থিক সমস্যা অনেকখানি মাটাতে পারেন। ক্রেডিট স্কোর কম থাকার কারণে যারা ব্যক্তিগত ঋণ পান না তারা সোনার ঋণ বা সিকিউরিটি জমা রেখে সুরক্ষিত ঋণ নিতে পারেন। এখানেও ক্রেডিট কার্ডের ফাইন্যান্স চার্জগুলির চেয়ে সুদের হার অনেক কম। এই ভাবে টাকার জোগান বাড়িয়ে ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করুন।
৪) আপনার যে বিনিয়োগগুলি কম আয় দেয় সেগুলি ভাঙিয়ে নিন।
ব্যাংকের আমানত, ঋণ তহবিল, বন্ড ইত্যাদির থেকে যা সুদ পাওয়া যায় তার থেকে ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া বিলের চার্জ অনেক বেশি। সুতরাং, ক্রেডিট কার্ডের ঋণের বোঝা কমাতে আপনি এ রকম কম আয়ের বিনিয়োগগুলি ভাঙিয়ে বকেয়া ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করুন। তবে, এর মধ্যে জরুরি তহবিল বা স্বল্প-মেয়াদী বিনিয়োগ গুলিতে হাত না দেওয়াই ভালো।সব থেকে ভালো হয় যদি আপনি নতুন একাটা ঋণ নিয়ে বা ব্যালান্স স্থানান্তর করে বকেয়া ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করে দিতে পারেন।
আজকের দিনে ক্রেডিট কার্ড পাওয়াটাও অনেক সহজ হয়ে গেছে। বিভিন্ন ব্যাংক বা আর্থিক সংস্থাগুলির কয়েকটি শর্ত পূরণ করলেই ক্রেডিট কার্ড হাতের মুঠোয় চলে আসবে।
এই শর্তগুলি বিভিন্ন ব্যাংকের ভিন্নরূপ যেমন আপনি কোন শহরে থাকেন, কি জন্য ক্রেডিট কার্ড দরকার, কোথায় চাকরি করেন বা কি ব্যবসা করেন, আয় কত ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে তাদের মৌলিক শর্তগুলি নিম্নরূপ।
১) ক্রেডিট কার্ডের আবেদনকারীর বয়স অন্তত ১৮ বছর বয়সী হতে হবে।
২) চাকরিজীবী বা ব্যবসাদারদের নিয়মিত আয় থাকতে হবে যাতে আবেদনকারী ক্রেডিট কার্ডের বিল সময়মত জমা দিতে পারে।
৩) আবেদনকারীর নামে একটি সেভিংস অ্যাকাউন্ট থাকা দরকার।
৪) আবেদনকারীর ক্রেডিট স্কোর (CIBIL)যেন খারাপ না থাকে।
ক্রেডিট কার্ড হাতে পেলে ক্রয় ক্ষমতা বেড়ে যায়। নিয়মিত ক্রয়ের ফলে আপনার কার্ডের বিলও বেড়ে যায়। বিল বেড়ে যাওয়া মানে ঋণ বেড়ে যাওয়া। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ঋণ বেড়ে গিয়ে সামর্থের বাইরে চলে গেলে আপনার কি করা উচিত।
এমন একটা অবস্থায় আসতে পারে যখন আর আপনি নিয়মিত কার্ডের বিল পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে বকেয়া বিলের পরিমাণও দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে এবং ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা মাথায় চেপে বসছে।
অনেক ক্রেডিট কার্ডহোল্ডার মনে করে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে এখন আমি যা খুশি কিনতে পারি। তাছাড়া ক্রেডিট কার্ড লেনদেনে আকর্ষণীয় পুরস্কার পয়েন্ট, ক্যাশব্যাক, ডিসকাউন্ট ইত্যাদিও ক্রেডিট কার্ডহোল্ডাকে তাদের সামর্থের বাইরে ব্যয় করার জন্য প্ররোচিত করে। একবার যদি তারা তাদের বিল পরিশোধ না করতে পেরে ডিফল্টার হয়ে যায়, তখন অত্যধিক সুদের হার (৪৭% বাৎসরিক হারে) এবং লেট পেমেন্ট চার্জগুলির কারণে তাদের বকেয়া বিলের পরিমাণ দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে।
এখানে আমরা আলোচনা করবো কয়েকটি উপায় যার সাহায্যে আপনি এই ক্রেডিট কার্ডের ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
১) প্রথমেই আপনি আপনার বকেয়া বিলের টাকা EMIতে বদলে নিন।
ব্যাংক বা আর্থিক সংস্থাগুলি তাদের গ্রাহকদের কার্ডের বকেয়া বিলের টাকা EMI তে রূপান্তরিত করার সুযোগ দেয়। অনেক সময় কার্ডের থ্রেশহোল্ড সীমার বাইরে কেনাকাটা করলেও ব্যাংকগুলি EMI তে রূপান্তর করারও অনুমতি দেয়। সাধারণত কার্ডের বকেয়া বিলের উপর সংস্থাগুলি ১৮% থেকে ৪৭% সুদ চার্জ করে। আর বকেয়া বিলের টাকা EMIতে রূপান্তরিত হলে সুদের হার ১২% থেকে ২৪% এর মধ্যে থাকে। এভাবে যদি আপনি কার্ডের বকেয়া বিলের টাকা EMI তে নিয়ে গিয়ে আপনি সুদ বাবদ খরচ অনেক কমিয়ে দিতে পারবেন। এই EMI এর মেয়াদ ৩ থেকে ৪৮ মাস পর্যন্ত হতে পারে। কার্ড হোল্ডাররা তাদের পছন্দ মত মেয়াদ নির্ধারণ করে EMIএর মাধ্যমে বিলের টাকা মেটাতে পারবেন।
২) ক্রেডিট কার্ডের ব্যালেন্স অন্য কার্ডে স্থানান্তকরণ।
যে সংস্থার ক্রেডিট কার্ডের সুদের হার কম আপনি সেই ক্রেডিট কার্ডে বর্তমান কার্ডের ব্যালেন্স স্থানান্তর করে নিন। এই বিকল্পটি খুবই কার্জকরী যখন আপনার বর্তমান কার্ডের সংস্থা কার্ডের বকেয়া বিলের টাকা EMIতে রূপান্তর করতে রাজি না থাকে বা বিলের উপর অত্যধিক হারে সুদ চার্জ করে। এই ব্যালেন্স স্থানান্তর আপনি নতুন একটি সংস্থার কার্ডে করতে পারেন বা আপনার কাছে আর একটি ক্রেডিট কার্ড আছে যেটা আপনি কম ব্যবহার করেন সেখানে স্থানান্তর করে নিতে পারেন। অনেক সময় নতুন সংস্থার কার্ডে ব্যালেন্স স্থানান্তর করলে তারা প্রোমোশনাল অফার দেয় যেখানে নির্দিষ্ট কয়েক মাসের জন্য সুদের হার কম হয় বা ০% হতে পারে। নির্দিষ্ট কয়েক মাস ২ থেকে ৬ মাসও হতে পারে। কিছু সংস্থা এর মেয়াদ ৩ মাস থেকে ৪৮ মাসও দিতে পারে।
এই কম সুদের জন্য আপনার বকেয়া বিলের টাকা বেড়ে যাওয়া নির্দিষ্ট কয়েক মাসের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে। তবে আপনাকে নির্দিষ্ট কয়েক মাসের মধ্যে টাকা জোগার করে বিলের টাকা পরিশোধ করে দিতে হবে নচেৎ আপনি আবার ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝায় জর্জরিত হবেন। প্রচারমূলক অফারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে, স্থানান্তরিত ব্যালান্সের উপর কার্ডের সাধারণ নিয়ম অনুসারে সুদ চার্জ করা হবে।
এই ব্যালেন্স স্থানান্তরিত করার জন্য সংস্থাগুলি ব্যালেন্সের ২% পর্যন্ত প্রসেসিং ফি চার্জ করে।
৩) ব্যাংক বা আর্থিক সংস্থা থেকে কম সুদের হারে নতুন ঋণ নিন।
ব্যক্তিগত ঋণ, সোনা ঋণ ইত্যাদির সুদের হার ক্রেডিট কার্ডগুলির সুদের থেকে অনেক কম। উদাহরণস্বরূপ, ক্রেডিট কার্ড সংস্থাগুলি ১৮% থেকে ৪৮% পর্যন্ত সুদ বাবদ চার্জ ধার্য করে, অন্যদিকে ব্যক্তিগত ঋণ সুদের হার ক্রেডিট স্কোর, মাসিক আয়, নিয়োগকর্তার প্রোফাইল এবং অন্যান্য যোগ্যতা মানদণ্ডের উপর নির্ভর করে ১১% থেকে ২৪% সুদ চার্জ করে। ব্যক্তিগত ঋণের মেয়াদ ৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে, যার ফলে আর্থিক চাপ অনেকখানি কমে যায়। যাদের হোম ঋণ আছে তারা একটি দীর্ঘ মেয়াদী টপ আপ ঋণ নিলেও আর্থিক সমস্যা অনেকখানি মাটাতে পারেন। ক্রেডিট স্কোর কম থাকার কারণে যারা ব্যক্তিগত ঋণ পান না তারা সোনার ঋণ বা সিকিউরিটি জমা রেখে সুরক্ষিত ঋণ নিতে পারেন। এখানেও ক্রেডিট কার্ডের ফাইন্যান্স চার্জগুলির চেয়ে সুদের হার অনেক কম। এই ভাবে টাকার জোগান বাড়িয়ে ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করুন।
৪) আপনার যে বিনিয়োগগুলি কম আয় দেয় সেগুলি ভাঙিয়ে নিন।
ব্যাংকের আমানত, ঋণ তহবিল, বন্ড ইত্যাদির থেকে যা সুদ পাওয়া যায় তার থেকে ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া বিলের চার্জ অনেক বেশি। সুতরাং, ক্রেডিট কার্ডের ঋণের বোঝা কমাতে আপনি এ রকম কম আয়ের বিনিয়োগগুলি ভাঙিয়ে বকেয়া ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করুন। তবে, এর মধ্যে জরুরি তহবিল বা স্বল্প-মেয়াদী বিনিয়োগ গুলিতে হাত না দেওয়াই ভালো।সব থেকে ভালো হয় যদি আপনি নতুন একাটা ঋণ নিয়ে বা ব্যালান্স স্থানান্তর করে বকেয়া ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করে দিতে পারেন।
প্রিয় পাঠক–পাঠিকা ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। যে কোনো বিষয়ে জানা- অজানা তথ্য আমাদের সাথে আপনিও শেয়ার করতে পারেন।১০০০ শব্দের মধ্যে গুছিয়ে লিখে ছবি সহ মেইল করুন wonderlandcity.net@gmail.com ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

Comments
Post a Comment